মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

(ক) পরিবেশ-বান্ধব টেকসই প্রযুক্তির উদ্ভাবন, সম্প্রসারণ ও ব্যবহার।

(খ) প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা ও শিল্প-কারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।

(গ) দেশের মূল্যবান খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, পরিমাণ নির্ধারণ, খনন পদ্ধতি নিরূপণ, খনিজ ও ধাতব বস্তুর মানোন্নয়ণ ও শিল্পায়নে ব্যবহার উপযোগী করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদান।

(ঘ) বস্তুওধাতবপদার্থের বিষয়ে গবেষণা ও পদ্ধতি নিরূপণপূর্বক শিল্পায়নে ব্যবহার, যেমন: কৃষিজাত পণ্য, অটোমোবাইল স্পেয়ার পার্টস, শিপ-বিল্ডিং স্পেয়ার পার্টস, কম্পোজিট তৈরীকরণ ইত্যাদি।

(ঙ) গবেষণালব্ধ ফলাফল সংশ্লিষ্ট সংস্থাও মন্ত্রণালয়ের মাধ্যম দেশে শিল্প-কারখানাস্থাপন, স্থাপিতব্য শিল্প-কারখানায় কারিগরি সহায়তা প্রদানসহকাঁচামালওউৎপাদিত পণ্যের গুনাগুন বিশ্লেষণ ও পণ্যের মান সঠিকরূপে নিয়ন্ত্রনে সহায়তাপ্রদান।

(চ) দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী, বেসরকারী, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহকে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তাপ্রদান।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter