মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ঘটনাপুঞ্জ

  • মিঠাপুকুর এলাকার ভূ-গর্ভস্থ কঠিন শিলা-কে আইএমএমএমএম-এর বিজ্ঞানীগণ কর্তৃক “আলট্রা-ম্যাফিক ল্যামপ্রো-ফায়ার” হিসেবে চিহ্নিত করা হয় (৬৪৩-৯৯২ ফুট অর্থ্যাৎ ৩৫০ ফুট পুরুত্বের স্তর)। উক্ত “আলট্রা-ম্যাফিক ল্যামপ্রো-ফায়ার” শিলার মধ্যস্থিত ‘ইলমিনাইট’ মিনারেলকে ‘Ore’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, উক্ত কঠিন শিলার ক্রম:স্তর বিন্যাস আড়াআড়িভাবে ১কি.মি. ব্যপ্তি হলে প্রায় ১৫০০০ (পনের হাজার) মিলিয়ন ইউএস ডলারের ইলমিনাইট মিনারেল পাওয়া যাবে।
  • ব্রহ্মপুত্র নদের বালুতে ‘ইলমিনাইট’, ‘জিরকন’, ‘রুটাইল’, ‘গারনেট’ ও ‘মোনাজাইট’ মিনারেলকে Economically Valuable মিনারেল হিসেবে চিহ্নিতকরণসহ মিনারেলসমূহ গবেষণাগারে পৃথকীকরণ করা হয়েছে। আইএমএমএম-এর গবেষণালব্ধ ফলাফলে দেখা যায় যে, ব্রহ্মপুত্র নদের প্রতি টন বালু হতে প্রায় ০.৬ কেজি ‘ইলমিনাইট’, ০.৪ কেজি ‘জিরকন’, ০.৪ কেজি ‘রুটাইল’, ২.৫ কেজি ‘গারনেট’ ও ০.১ কেজি ‘মোনাজাইট’ মিনারেল রিকভার করা সম্ভব। মাইনিং ও মিনারেল প্রসেসিং কার্যক্রমের আওতায় প্রতিবছর  ব্রহ্মপুত্র নদের প্রবেশ পথ হতে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা আয় করা সম্ভব হবে।
  • নির্মিতব্য পদ্মা সেতু এলাকার ভূ-গর্ভস্থ স্তরের বালুতে মাইকা মিনারেল চিহ্নিত ও পরিমাণ নির্ধারণ নিয়মিতভাবে আইএমএমএম-এর গবেষণাগারে করা হয়। আইএমএমএম কর্তৃক প্রদত্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করেই সড়ক ও পিলার নির্মাণের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। 
  • দেশের অভ্যন্তরে স্থাপিতব্য বিভিন্ন বৈদ্যুতিক প্লান্ট নির্মানের এলাকার ভূ-গর্ভস্থ স্তরে মাইকা মিনারেল চিহ্নিত ও পরিমান নির্ধারণের কাজও নিয়মিতভাবে করা হয়।
  • অ্যালুমিনিয়াম শিল্প-কারখানার বর্জ্য হতে অ্যালুমিনিয়াম সালফেট উৎপাদনের পদ্ধতি নিরূপণ যা পানি শোধণ কাজে ব্যবহৃত হয়।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter